লেখক প্যানেল
খাইরুল ইসলাম

শূন্যতার প্রতিমা

অপরাজেয় বাংলার পাশে যেন অন্তহীন কোলাহল। অচেনা মুখের ছাত্রদের ভিড়ে কোলাহল বাড়তেই থাকে। কেউ নতুন বন্ধু জুটাচ্ছে, কেউ পথ খুঁজছে, কেউ আবার বিস্ময়ের চোখে অচেনা কলাভবনের দিকে তাকিয়ে আছে। রবির মনটা কেমন ধকধক করছে। গ্রামের ছেলে সে। ভর্তি হয়েছে দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে। নতুন জামা, নতুন ব্যাগ, তবু ভিতরে লাজুক ভয়। কোন ক্লাসে যাবে, কোথায় বসবে, কিছুই যেন পরিষ্কার নয়। হঠাৎ সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় ধাক্কা খায়। হাতে থাকা বইটি নিচে গড়িয়ে পড়ে। কিন্তু নীচু হয়ে বই তুলতে গেলে একজন বলে- স্যরি! আমি খেয়াল করিনি।

রবি চোখ তুলে তাকায়। অচেনা একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে। তার চোখে-মুখে দ্বিধা। অথচ রবি তাকে অপলক দৃষ্টিতে প্রত্যক্ষ করে। বুঝতে পারে, শহুরে মেয়ে। দুজনের চার হাত একসাথে বইয়ের উপর স্পর্শ করলে পুনরায় চার চোখের মিলন হয়। রবির স্পষ্ট মনে আছে- ওই চোখে ছিল অদ্ভুত আকর্ষণ। প্রথম দেখায় মনে হয়েছিল, রুপা নামের মেয়েটি সে জন্ম জন্মান্তর ধরে চেনে। ক্লাসে ঢুকে সিটের জন্য রবি কিছুক্ষণ অপেক্ষা করছিল। হঠাৎ রুপার কণ্ঠস্বর- এইখানে বসুন না!

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম ক্লাস। লেকচার শুরু হলো। অধ্যাপক বোর্ডে লিখছেন, কিন্তু রবির চোখ বারবার ঘুরে যাচ্ছে পাশের চশমা-পরা মুখের দিকে। অন্যদিকে রূপারও কানে কম শোনাচ্ছে ক্লাসের কথা, কারণ পাশে বসা এই অচেনা ছেলেটির শান্ত অথচ মুগ্ধ দৃষ্টি তার বুকের ভেতরে ঢেউ তুলছে। প্রথম দিন, প্রথম ক্লাস, তবুও মনে হচ্ছিল যেন তারা বহুদিনের সাথি। খাতা খুলে নোট নেওয়ার সময় হঠাৎ দুজনের কলম একসাথে টেবিলে ঠোকাঠুকি করল, দুজনেই হেসে উঠল নিঃশব্দে। সেই হাসি ছিল নতুন বন্ধুত্বের সূচনা, আবার অদৃশ্য কোনো গোপন প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিতও বটে।

ক্লাস শেষে সবাই যখন বেরিয়ে যাচ্ছিল, রূপা হালকা কণ্ঠে বলল- আপনার নামটা তো এখনো জানা হলো না?
রবি মুচকি হেসে বলল- রবি।

বাসা।
কুষ্টিয়া।

এভাবেই শুরু হয়েছিল এক অদৃশ্য যাত্রা- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনের প্রথম ক্লাস থেকে জীবনের দীর্ঘ পথে হাত ধরাধরি করে হাঁটার ইচ্ছায়। কিন্তু কেউ কাউকে মনের কথা বলতে পারে না। অথচ পথচলা থেমে থাকে না। ক্লাসের ফাঁকে ক্যাফেতে আড্ডা, বিকেলে বটতলায় বসে গান, পরীক্ষার আগে একসঙ্গে পড়া- যেন রবি আর রূপা এক মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। ক্যাম্পাসের এমন কোন স্থান নেই যেখানে তাদেরকে দেখা যায় না। রবি ছিল শান্ত, নিভৃত স্বভাবের, আর রূপা ছিল প্রাণবন্ত, জীবনের প্রতি তীব্র কৌতূহলী। রবি রূপার মধ্যে তার গ্রামের সরলতাকে খুঁজে পেত, আর রূপা রবির মধ্যে খুঁজে পেত শহরের কোলাহলহীন এক শান্তির পরম আশ্রয়। তাদের সম্পর্কটা ছিল ভালোবাসার এক নিখুঁত ছবি, যেখানে কোনো মেকি ও কৃত্রিমতা ছিল না।

রবি গ্রামের ছেলে। পরিবারের একমাত্র ভরসা। তার উপর নির্ভর করে আছে বাবা-মায়ের স্বপ্ন, ছোট বোনের পড়ালেখা। তাই তার জীবনে সফল হওয়ার চাপ ছিল অনেক। অন্যদিকে, রূপার পরিবার ছিল সচ্ছল। তার জীবনে অর্থনৈতিক কোনো চাপ ছিল না, শুধু ছিল ভালোবাসার এক মুক্ত আকাশ। এই দুই ভিন্ন জীবনের ধারা যখন এক হলো, তখন তা আরও গভীর এক ভালোবাসায় পরিণত হলো।

কিন্তু জীবনের পথ সবসময় মসৃণ নয় হয় বন্ধুর। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষে এসে তাদের সম্পর্কে প্রথম কালো মেঘ দেখা দিল। রবি একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেল। সেখানে তার কাজের চাপ বাড়ল, আর রূপাকে সময় দেওয়া তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ল। রূপা প্রথমে বুঝলেও, ধীরে ধীরে তার মনে এক চাপা কষ্ট জমতে লাগল। সে দেখল, রবি তার স্বপ্নের পেছনে ছুটতে গিয়ে তাকে যেন কোথাও হারিয়ে ফেলছে।

এক রাতে রূপা রবিকে ফোন করে বলল- রবি, তুমি কি আমাকে ভুলে যাচ্ছ নাকি অবহেলা করছ? রবি ক্লান্ত কণ্ঠে জবাব দিল- রূপা, এমন করে বোলো না। আমি শুধু আমাদের ভবিষ্যতের জন্য পরিশ্রম করছি। ভবিষ্যৎ? যে ভবিষ্যতে আমরা দু'জনই থাকব না, সেই ভবিষ্যৎ দিয়ে কী করব?

রূপার কণ্ঠে অভিমান ও ক্ষোভ উভয় ঝরে পড়ছিল। সারাদিন অফিসের নানা চাপ সামলিয়ে রবি যখন বের হয়েছে ঠিক তখনই মায়ের ফোন। তার ছোট বোন রশিদাকে দু-দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। রবি মানসিকভাবে খুব ভেঙে পড়ে। বোনের প্রতি রাগও হয়। ছোট বোনকে সে খুব আদর করত। রবির ইচ্ছা তার একটা স্থায়ী চাকরি হলে বোনকে ঢাকা নিয়ে এসে ভাল একটি পাত্র দেখে বিয়ে দিবে। মাঝে মাঝে দু-একটি পাত্রের সন্ধানও করছে। কিন্তু তার সে আশায় বালি দিয়েছে রশিদা। এই বিষয়টি রবি মানতেই পারছে না। তার কাছে সবকিছু অনর্থক মনে হচ্ছে। রবির মাথায় অনেক চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। একরাশ চিন্তা আর মনঃকষ্ট নিয়ে সে রাতে বাসায় ফিরে।

ছোট বোনের বিষয়টির কারণে রাতে ফোনে কথা বলার সময় রবি অন্যমনস্ক থাকে। রবির এ উদাসীনতার কারণে রূপা আরও রেগে যায়। ফলে রূপা রবির উপর আরো বেশি ক্ষোভ প্রকাশ করে। ফলে রূপার সাথে মেজাজ ঠিক রেখে কথা বলতে পারল না রবি। রবিও রাগের মাথায় রূপাকে অনেক কথা শুনিয়ে দিল।

এই কথা-কাটাকাটির পর থেকেই তাদের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে শুরু করল। রবি মনে করত রূপা তাকে বুঝতে পারছে না, আর রূপা মনে করত রবি তাকে অবহেলা করছে। তাদের নিরবচ্ছিন্ন ভালোবাসায় হঠাৎ করেই যেন ফাটল ধরতে শুরু করল। এরই মধ্যে রবির মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ হল। এতদিন যে মাল্টিন্যাশলাল কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপ করছিল তার মেয়াদও শেষ। মাসকয়েক বেকার। হণ্যে হয়ে চাকরির খোঁজ করে। মন-মেজাজ ভালো না। হাতেও টাকা-পয়সা নেই। বাড়ি থেকে টাকা নেওয়ার মতো অবস্থাও নেই। বাবার বয়স হয়েছে। কাজকর্ম করতে পারে না। আবার যে জমিটুকু আছে তাতে চাষ করে সংসার চলে না। আর্থিক অনটনে পেড়ে গেল রবি। এদিকে রূপার সাথেও দীর্ঘদিন যোগাযোগ হয় না। মাথায় নানা কুচিন্তা আসে। মাঝে মাঝে আত্মহত্যার কথা ভাবে। কিন্তু পরিবারের চিন্তা, মা-বাবার কষ্টের কথা ভেবে ওই পথ থেকে সরে আসে। ইতোমধ্যে বেশকিছু সরকারি চাকরির ভাইভা দিয়ে রেখেছে। কয়েকটির ফল প্রকাশও হয়েছে। না, তার চাকরি হয়নি। ছেলেটি ক্রমশ ভেঙে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে দাঁড়িয়ে বন্ধুদের সাথে ভাইভার ব্যর্থতা নিয়ে আলাপ করে। আফসোস হয়। যেদিন দুপুর বেলা সে লাইব্রেরির সামনে দাঁড়িয়ে আফসোস করছিল, ঠিক সেদিন বিকেলে ৩৫তম বিসিএস’র চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হলো। রবি তখন গ্রিন রোডের একটি বাসায় টিউশনি করাচ্ছিল। কাছের একজন বন্ধু ফোন করে জানায়- ওয়েলকাম ফ্রেন্ড। তুমি সোনার হরিণ হাতে পেয়েছো।

রবি বিরক্তির স্বরে বলে- কী যা তা বলছিস। টিউশনিতে আছি। পরে ফোন দিস।

কিন্তু ধৈর্য ধরার মতো সময় বন্ধুটির নেই। উচ্ছ্বসিত হয়ে বলে- তুমি বিসিএস এ টিকে গেছ। প্রশাসন ক্যাডারে ৯০তম হয়েছো।

অবিশ্বাস্য। রবির যেন কিছুতেই বিশ্বাস হয় না। রেজাল্টশিটের ছয় ডিজিটের একটি নাম্বারে চোখ আটকে যায়। হ্যাঁ, এটাই তার রোল নাম্বার। জীবনের ওই বিশেষ মুহূর্তে হঠাৎই রুপার কথা মনে হয়। ভুল বুঝে মেয়েটি দূরে সরে গেছে। ফোন নম্বর পাল্টিয়েছে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাকে ব্লক করে দিয়েছে। রবি তখন বুঝতে পারল, তার সাফল্যের পেছনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। বন্ধুরা বলে, রূপা নাকি দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে।

রবির চাকরির প্রজ্ঞাপন হতে বেশ কিছুদিন সময় লাগল। সে সারাদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি, টিএসসি, কলাভবন,কার্জন হল নিউমার্কেটে ঘুরে বেড়ায়। মাঝে মাঝে তাঁর হলে যায়। ছোট ভাইদের সাথে চায়ের আড্ডা জমায়। কিন্তু তার শূন্যতা যেন ফুরায় না। অবশেষে কাঙ্ক্ষিত দিন এলো। প্রথম কর্মস্থল হিসেবে কুমিল্লা ডিসি অফিসে যোগদান করলো।

ভালোবাসার মানুষ রূপা ও আদরের ছোট বোন রশিদা ছাড়া কেমন যেন শূন্য। বন্ধুদের থেকেও অনেক দূরে। একাকিত্ব ভোলার জন্য রবি তখন অফিসের কাজকে একমাত্র আশ্রয় মনে করল। সে দিনরাত পরিশ্রম করতো, নিজেকে ব্যস্ত রাখতো। কারণ সে জানত, যত বেশি কাজ করবে, তত কম রূপার কথা মনে পড়বে। কিন্তু স্মৃতি তো তাকে ছাড়ে না। যখন সে তার নতুন ফ্ল্যাটে একা থাকত, তখন তার চারপাশে শুধু রূপার হাসি, রূপার কণ্ঠ, রূপার চঞ্চল চোখের ছবি ভেসে উঠতো।

বছর পেরিয়ে গেল। রবি তার পেশায় দারুণ সফল। সে এখন দেশের অন্যতম সেরা একজন কর্মকর্তা। গাড়ি আছে, ফ্ল্যাট আছে, কিন্তু তার জীবনে কোনো রূপা নেই। কোনো ভালোবাসা নেই। সে দেখল, সাফল্য তাকে কেবল একাকিত্ব আর শূন্যতা দিয়েছে।

শীতের ছুটিতে রবি এক পুরোনো বন্ধুর সাথে দেখা করতে গেল। সেই বন্ধু তাকে রূপার খবর দিল। রূপা এখন বিদেশে একটি ভালো চাকরি করছে। তার জীবন সুন্দর। কিন্তু একটি কথা শুনে রবির বুকে যেন ছুরি বিঁধে গেল। বন্ধু বলল, রূপা বিয়ে করেছে। তার স্বামী একজন বিদেশি। রুবি নামে তাদের একটি ফুটফুটে মেয়ে আছে। সেই মেয়ের নাম রূপাই রেখেছে । এই কথা শুনে রবি যেন পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়ায়ে থাকল। রবির নামের সাথে মিল করেই কী মেয়ের নাম রুবি রেখেছে! চারুকলার বকুলতলাতে বসে তারা একদিন ঠিক করেছিল তাদের যদি প্রথম সন্তান ছেলে হয় তবে নাম হবে রুশদান, আর যদি মেয়ে হয় তবে নাম হবে রুবি। রবি বাসায় ফিরে আসে। তার ফ্ল্যাটের বারান্দায় বসে সে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। মনের অজান্তেই তার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছিল। সে ভাবল, রূপা এখনো তাকে ভালোবাসে। হয়ত তাদের মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝি ছিল, যা তারা সময় থাকতে মেটাতে পারেনি। সে আরো ভাবল, রূপা হয়ত তাকে ভালোবাসে বলেই তার মেয়ের নাম রেখেছে রুবি, যাতে তার স্মৃতি কোনো না কোনোভাবে রূপার জীবনে থেকে যায়। রবি বুঝতে পারল, জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো যখন ভালোবাসার মানুষটি আর তার থাকে না, কিন্তু তার স্মৃতি সারাজীবন তাড়া করে বেড়ায়। সে তখন তার চাকরি, সাফল্য, অর্থ- সবকিছুকে তুচ্ছ মনে করল। সে বুঝল, জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস হলো ভালোবাসা, যা সে অবহেলা করেছে।

রবি সেদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি খোলা চিঠি লিখল। সেই চিঠিতে সে রূপার কাছে ক্ষমা টেয়েছিল। সে লিখল-
প্রিয় রূপা, আমি জানি তুমি এখন অনেক দূরে, তোমার নিজের জগতে সুখী। আমি শুধু একটি কথা জানাতে চাই- আমি তোমাকে ভালোবাসি। চিরকাল ভালোবাসব। আমি আমার ভুলের জন্য অনুতপ্ত।

কিন্তু সে চিঠিটি আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা হল না। সে জানত, রূপা আর তার জীবনে ফিরবে না। তার ভালোবাসা এখন স্মৃতি। তার জীবন এখন শূন্য। রবি অনেকক্ষণ ধরে মুঠোফোনে পোস্টটি লিখেছিল। সে লেখাটি ডিলিট করতে গিয়ে বারবার তার হাত কাঁপতে ছিল। শরীরের শিরাগুলির মধ্যে রক্ত যেন জমাট বেঁধে গিয়েছিল। হাত অবশ হয়ে আসছিল। হারানোর বেদনায় বুক দুরুদুরু করছিল। সময় নিজ গতিতে নীরবে মানুষকে অনেক কিছু শিখিয়ে যায়। ভাটার পানির মত সবকিছু মুছে নিয়ে যায়। শুধু চিহ্নটুকু রেখে যায়। বার্ধক্যজনিত কারণে রবির মা-বাবা পরকালে, বোনের সাথে নেই কোন যোগাযোগ।

সফলতার বিচারে রবি এখন সফল পুরুষ, তার বাড়ি-গাড়ি, কাজের লোক সব আছে। কিন্তু সে নিঃসঙ্গ মানুষ। তার জীবনে সবকিছু আছে, শুধু রূপা নেই। এটাই তার জীবনে এক চরম ট্র্যাজেডি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনের সেই ধাক্কা, সেই হাসির আড়ালে যে ভালোবাসা লুকিয়ে ছিল, তা এক ভুল বোঝাবুঝির পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে গেছে। আর সেই ভালোবাসার মৃত্যু তাদের জীবনে এনে দিল এক চিরন্তন বিষাদসিন্ধু, যা রূপা আর রবিকে সারা জীবন তাড়িয়ে বেড়াবে। সিঁড়িতে শরীরের ধাক্কায় যে প্রেম, কথার ধাক্কায় তা হারিয়ে গেল।

খাইরুল ইসলাম
খাইরুল ইসলাম ১৯৮৮ সালের ২২ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে কলেজ শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত আছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও মানবাধিকার কর্মী হিসেবে কাজ করছেন। শখ করে করেন সাংবাদিকতা লেখালেখিও।
বার পড়া হয়েছে
প্রকাশিত :
আগস্ট ২১, ২০২৫
শেয়ার :
পয়স্তিতে যারা লিখেছেননির্দেশিকাশর্তাবলী
১০ দিনে জনপ্রিয় লেখক
magnifiercrossmenu