স্যাটেলাইট উড়ছে সমস্ত ধরিত্রীকে ধোঁয়াময় করে
কি আলোর বাহার আহা
চোখ দুটো যেন ঝলসে যাবে এবার।
উনি চলেছেন উপরে, আরও উপরে
“চল্লিশ কোটি” সাদা ধোঁয়া হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে আকাশে বাতাসে।
মঙ্গল গ্রহ কি মরীচিকাই হয়ে থাকবে?
মানুষের কৌতূহল কবে মিটবে?
সকলেই চায় ভিন গ্রহের নাগরিক হতে,
তার ঘরের সন্তান দুবেলা দু-মুঠো খেতে পাক,
আর ছাই না পাক।
মঙ্গল গ্রহে তাদের পৌঁছতেই হবে।
ওখানে কত জল, কত মাটি …
টিভির চ্যানেলগুলো ঘোড়াতে থাকলাম…
কেনিয়াত সন্ধ্যার পর মানুষ খাবারের অভাবে
নেশায় বুঁদ হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে।
চা বাগানগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
একে একে সব মানুষ নেমে আসছে নীচে।
খাবারের খোঁজে, ঔষধ এর খোঁজে।
আচ্ছা, দার্জিলিং এর “চা” ই তো বিশ্ব বিখ্যাত,
তাই না?
সুগন্ধির জন্য!
আরও কত খবর দেখলাম
বিভিন্ন দেশের, নিজের দেশের।
আদিবাসীদেরও নানা আচার – বিচার,
ভয়ংকর …রোমহর্ষক…
রাতে লং ড্রাইভে গেলাম
ঠান্ডা হাওয়ায় একটু শান্তির শ্বাস নিতে …
রাতের সুন্দরী পৃথিবী আর তার নেশা
আমাকে মাতাল করে ধীরে ধীরে।
অন্ধকার গাড়ির আলো পড়তেই
মনটা আবার খারাপ হল।
বাস্তবটা অনেক বেশী কদাকার ।।
